Home কবিতা

কবিতা

রঙমশালের স্রোত

রঙমশালের স্রোত- পার্থ মল্লিক কবিতায় তার যাপিত জীবনের প্রতিচ্ছবি তুলে এনেছে। কোথাও তার হাসি কে বৃষ্টিতে ভিজিয়ে এনে মেঘের আদরে গান শুনিয়েছেন আবার কোথাও রঙ অন্ধ কোন অজানা রোগে ভুলে গেছেন।

দাঁড়ানোর সীমানা

দাঁড়ানোর সীমানা - শিমুল মাহমুদের ভাত খাওয়ার শব্দ পান্ডুলিপির নির্বাচিত কবিতা। কবিতায় কবি মানুষের ভেতরের মানুষকে আবিষ্কার করবার চেষ্টা করেছেন। যেখানে মানুষের সমতাহীন সমাজ ব্যবস্থার প্রতিচিত্র নির্মান করেছে তার প্রতিটি কবিতায়।

মানবের পদচিহ্ন

মানবের পদচিহ্ন -গৌতম কৈরী তার কবিতায় ক্রমাগত যে নির্মিতির দিকে যাচ্ছে তার প্রমাণ কবিতায় সুস্পষ্ট। কবিতা পাঠে আমরা তার অনুচ্চারিত শব্দমালা দেখতে পাই,যা গৌতম পদচিহ্ন হিসেবে বাংলা কবিতায় রেখে যেতে চায়।

কুর্নিশ করে যায় মেঘ

ঋণ স্বীকার উড়ে যেতে যেতে এই গ্রামে কুর্নিশ করে যায় মেঘ— তার নিচে সুপারির বাকলে ঘেরা বাড়ি— এখানে, ছোট ছোট ঘরের পাশে কেয়া আর কেওড়ার বন— মেঘের বিপরীতে বনটিয়ে উড়ে যায় যদি, আমি তার পিছে পিছে চলি— ও মেঘ, জল আগুন আর শব্দ কীভাবে এক দেহে রাখো— আমাকে কি সেই বিদ্যা দেবে— দেখো, এই গেঁয়ো […]

শোন হাওয়া, তোমাকে ভাবছে বাগান

শোন হাওয়া, তোমাকে ভাবছে বাগান - শুভ্র সরকার তার নাতিদীর্ঘ কবিতায় তার যাপনের চারপাশের প্রকৃতিকে যেভাবে দেখেন ঠিক সে রূপটিকেই কাব্যে তুলে ধরেছেন সুনিপুন দক্ষতায়। আমরা তার কবিতা পাঠে চোখ বুজলেই দেখতে পাই গ্রামীন দৃশ্যাবলী, ধান ক্ষেত, আশপাশ।

দৃষ্টিতে যাপন, শষ্যক্ষেত

দৃষ্টিতে যাপন, শষ্যক্ষেত এ কবি সৌহার্য্য ওসমান বুঝাতে চেয়েছেন পৃথিবীর আলো শেষে যে ঘোর অন্ধকার নেমে আসে আমার ফালি চোখের তটে, মরা পাতা সেখানে মড়মড় শব্দের কাছে বিকিয়ে দেয় শুন্যতার বিনিময়ে কিছু আলাপন, কিছু গল্প, কিছু মানুষের নয়া আয়ুষ্কাল।

বনভাতের কৈশোর

বনভাতের কৈশোর - নৈর্ঋত শাহরিয়ার তার কবিতায় মনের ভেতরে মনন হারিয়ে গেলে কিংবা পথ ভুলে গেলেও, নিজস্ব কাব্য দ্বারা নতুন পথ তৈরি করতে পেরেছেন। আর এখানেই কবি নৈর্ঋত শাহরিয়ার একজন সফল কবি।

মৃতদের রেখে যাওয়া ঘড়ি

মৃতদের রেখে যাওয়া ঘড়ি এ কবি সাজ্জাদ সাঈফ তার কবিতায় মনস্তাত্ত্বিক আবেগকে ঐন্দ্রজালিক উপমা ব্যবহারের মাধ্যমে নিজস্ব এক সিগনেচার তৈরি করেছেন। যেখানে পাঠক নতুন কাব্যের সাথে মেলবন্ধন করতে পারে অতি সহজে।