Home কবিতা

কবিতা

কুর্নিশ করে যায় মেঘ

ঋণ স্বীকার উড়ে যেতে যেতে এই গ্রামে কুর্নিশ করে যায় মেঘ— তার নিচে সুপারির বাকলে ঘেরা বাড়ি— এখানে, ছোট ছোট ঘরের পাশে কেয়া আর কেওড়ার বন— মেঘের বিপরীতে বনটিয়ে উড়ে যায় যদি, আমি তার পিছে পিছে চলি— ও মেঘ, জল আগুন আর শব্দ কীভাবে এক দেহে রাখো— আমাকে কি সেই বিদ্যা দেবে— দেখো, এই গেঁয়ো […]

শোন হাওয়া, তোমাকে ভাবছে বাগান

শোন হাওয়া, তোমাকে ভাবছে বাগান - শুভ্র সরকার তার নাতিদীর্ঘ কবিতায় তার যাপনের চারপাশের প্রকৃতিকে যেভাবে দেখেন ঠিক সে রূপটিকেই কাব্যে তুলে ধরেছেন সুনিপুন দক্ষতায়। আমরা তার কবিতা পাঠে চোখ বুজলেই দেখতে পাই গ্রামীন দৃশ্যাবলী, ধান ক্ষেত, আশপাশ।

দৃষ্টিতে যাপন, শষ্যক্ষেত

দৃষ্টিতে যাপন, শষ্যক্ষেত এ কবি সৌহার্য্য ওসমান বুঝাতে চেয়েছেন পৃথিবীর আলো শেষে যে ঘোর অন্ধকার নেমে আসে আমার ফালি চোখের তটে, মরা পাতা সেখানে মড়মড় শব্দের কাছে বিকিয়ে দেয় শুন্যতার বিনিময়ে কিছু আলাপন, কিছু গল্প, কিছু মানুষের নয়া আয়ুষ্কাল।

বনভাতের কৈশোর

বনভাতের কৈশোর - নৈর্ঋত শাহরিয়ার তার কবিতায় মনের ভেতরে মনন হারিয়ে গেলে কিংবা পথ ভুলে গেলেও, নিজস্ব কাব্য দ্বারা নতুন পথ তৈরি করতে পেরেছেন। আর এখানেই কবি নৈর্ঋত শাহরিয়ার একজন সফল কবি।

মৃতদের রেখে যাওয়া ঘড়ি

মৃতদের রেখে যাওয়া ঘড়ি এ কবি সাজ্জাদ সাঈফ তার কবিতায় মনস্তাত্ত্বিক আবেগকে ঐন্দ্রজালিক উপমা ব্যবহারের মাধ্যমে নিজস্ব এক সিগনেচার তৈরি করেছেন। যেখানে পাঠক নতুন কাব্যের সাথে মেলবন্ধন করতে পারে অতি সহজে।

নন্দনদৃশ্য

নন্দনদৃশ্য - মোস্তফা হামেদী তার কবিতায় প্রয়োজনীয় শব্দের গাঁথুনিতে ক্রমান্বয়ে লিখে চলেছেন এমন - অন্তঃসারশূন্য এই এঁদো জলসায়, একটা ভেঁপু বাজে প্রাণ মন্দিরার সুরে।

দর্জিবাড়ির মশলারাণী

দর্জিবাড়ির মশলারাণী - সারোক শিকদার প্রাত্যহিক নান্দনিক বোধ থেকে তার কবিতা সৃষ্টি করেন। আমরা তার কবিতা পাঠে তাই সরলতারই প্রতিচ্ছবি দেখতে পাই।

বাঁকখালি

বাঁকখালি - সাগর শর্মা - যে নদীর পাড়ে দাড়িয়ে কবির শৈশব কেটেছে, কেটেছে যৌবনের সোনালী অধ্যায়। সেখানটায় কবি সাগর শর্মা কখনও ডুব সাঁতারে, পাখির সাথে উড়ে যেতে চায় অজানা সাকিন।

পচন পাতার ঘ্রাণ

পচন পাতার ঘ্রাণ গুচ্ছ কবিতায় কবি হিম ঋতব্রত বাংলা প্রতিটি মাসের সাথে সেও ভিন্ন ভিন্ন আঙ্গিকে মানুষকে দেখেছেন। তার দেখার সাথে নিজস্ব স্বকীয়তা এই কবিতাগুলোতে সুস্পষ্ট।