Home কবিতা

কবিতা

নন্দনদৃশ্য

নন্দনদৃশ্য - মোস্তফা হামেদী তার কবিতায় প্রয়োজনীয় শব্দের গাঁথুনিতে ক্রমান্বয়ে লিখে চলেছেন এমন - অন্তঃসারশূন্য এই এঁদো জলসায়, একটা ভেঁপু বাজে প্রাণ মন্দিরার সুরে।

দর্জিবাড়ির মশলারাণী

দর্জিবাড়ির মশলারাণী - সারোক শিকদার প্রাত্যহিক নান্দনিক বোধ থেকে তার কবিতা সৃষ্টি করেন। আমরা তার কবিতা পাঠে তাই সরলতারই প্রতিচ্ছবি দেখতে পাই।

বাঁকখালি

বাঁকখালি - সাগর শর্মা - যে নদীর পাড়ে দাড়িয়ে কবির শৈশব কেটেছে, কেটেছে যৌবনের সোনালী অধ্যায়। সেখানটায় কবি সাগর শর্মা কখনও ডুব সাঁতারে, পাখির সাথে উড়ে যেতে চায় অজানা সাকিন।

পচন পাতার ঘ্রাণ

পচন পাতার ঘ্রাণ গুচ্ছ কবিতায় কবি হিম ঋতব্রত বাংলা প্রতিটি মাসের সাথে সেও ভিন্ন ভিন্ন আঙ্গিকে মানুষকে দেখেছেন। তার দেখার সাথে নিজস্ব স্বকীয়তা এই কবিতাগুলোতে সুস্পষ্ট।

রোদে পুড়ে যে ছায়ার জন্ম

ক্ষত ••• ছোটবেলায় পয়সা জমানোর জন্যে বাঁশের খুঁটি কেটে ক্ষত তৈরি করতাম, মনে পড়ে? দেয়ালেরও গায়ে থাকে অসংখ্য ক্ষত, জীবন্ত গাছকেও ক্ষত করে কতো পোকামাকড়, পাখি, কাঠবিড়ালি ক্ষতকে কিসের এতো ভয়? বুকের ক্ষতগুলো বড় হোক যেন বড় বড় নক্ষত্রগুলো জায়গা নিতে পারে! ঠেলাগাড়ি অথবা একটি সংসার ••• আমাদের একটা ঠেলাগাড়ি আছে, আমি ওটা সামনে থেকে […]

ধারালো চঞ্চুতে তোমার ফালি ফালি হইতেছি

ধারালো চঞ্চুতে তোমার ফালি ফালি হইতেছি - বায়েজিদ বোস্তামী তার কবিতা গুচ্ছে এক দার্শনিক দৃষ্টি ভঙ্গি থেকে সমাজ ও রাষ্ট্র কে দেখেন। আবার কোথাও প্রেমময় উচ্চারণ শুনি কবি কন্ঠে - নীলজলে সাঁতরাতে দেবে না বা সোনারোদ গায়ে মাখতে দেবে না।

কালো পিঁপড়ার সংসার

কালো পিপঁড়ের সংসার - জ্যাোতি পোদ্দার, তার কবিতা পাঠে মাটির সাথে একটি সম্পর্ক তৈরি করে দেন। কবি কখনও কখনও কবিতায় গর্ত খুঁড়ে পিপঁড়ে,আবার কখনও মাটির গভীরে ভেঙে দিচ্ছেন বীজের দেয়াল।

তবু তারে পাখির মতো লাগে

তবু তারে পাখির মতো লাগে - নোমান নজরবী- তার কবিতায় আমাদের চলমান জীবনের প্রতিচ্ছবি অঙ্কিত করে চলেছে। তার কবিতায় তাই তো পাঠক নিজেকেই খুঁজে পায়।