Home কবিতা ক্যালেন্ডারের উল্টো পাতা
ক্যালেন্ডারের উল্টো পাতা

ক্যালেন্ডারের উল্টো পাতা

64
0

যান্ত্রিক ফার্মহাউজ

রোবটিক কনফারেন্স শেষে
এবার মেলে ধরলাম মানবিক তত্ত্বের ওয়াইফাই
সম্পর্কের বিভিন্ন তারগুলো রিফিউজ করার পর জানতে পেলাম…
পৃথিবীর বিশ্বাস বিমুখ হতে হতে
ভুলে গেছে তার ইতিহাস
ধূলিকণায় যারা মিশে আছে
তারা করছে বিচিত্রস্বত্তার মিছিল
নিয়ম ভাঙো,
উপগ্রহের সুখ মূলত অভিজ্ঞতার ঝুলি
দ্বাদশ মতবাদ দেয়ার পরই বলে ওঠে-
প্রস্তাবিত জীবনের কোন পরিভাষা নেই
উন্নত মৃত্যু মানেই স্বাধীনতার টাওয়ার
যেখানে পা ঝুলিয়ে রেখে মতলব বাজেরা বাদাম খায়


প্যারানয়েড অনুবাদ

সেভাবেই ফিরে আসতে হবে তোমাকে
যেভাবে বন্যার পানির মতো ঝাঁপিয়ে আসে অনুভূতি
বাধ্যতামূলক নয় ধারাবাহিক নিয়ম মেনে
ভাঙতে হবে নিজস্ব আন্দোলন
উদ্দেশ্য কেবল আমাদের অস্বস্তি নিয়ে
চারদিকে চোখ বুলাতে গেলেই
চোখে পড়ে নিজেদের পারমাণবিক গুণাবলি
রাসায়নিক প্যাকেটে তারা সমৃদ্ধ করছে
সাইবার মনের নিরাপত্তা সংক্রান্ত আইন।


ভূ-স্মৃতি

পাললিক ইতিহাস খুঁড়ে
যতদূর থেমে থাকে জোছনা
এক বিরাম অতীতের জন্ম সেখানে
তবুও শূন্য পুকুরে যারা
এঁকে রাখে নতুন ছদ্মবেশ
ধরে নেবো দশমিকের বিভ্রান্তি এখনো আলোচিত হয়নি
তুমিও তেমন?
বিষণ্ণ বনে ফুলের নাম ধরে ডাকা কাকের মতোন?


যান্ত্রিক ত্রুটির সমাধান

সাম্প্রতিক ব্যার্থতার সফরে স্বাগতম
পরিকল্পনা শেষে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে,
অলৌকিক বৃষ্টিতে ভিজে এবার সূর্যাস্ত দেখবো
আর অস্বস্তি জেঁকে বসা ছবি সরিয়ে
উপকূল রেখায় আঁকবো ফায়ারপ্লেস
সেখানে দীর্ঘ মায়ারথ পুড়িয়ে দিয়ে জড়িয়ে নেবো সতর্কের সুতি কাপড়
যেনো ভেঙে যাওয়া অতীত কখনো বাউন্ডারি ট্রাভেল না করে
সেসব মেইল ই পাঠানো হবে জাগতিক
মোহদের কাছে


শৈশব উঠান

গল্পটা এখানেই শেষ!
ক্যালেন্ডারের পাতা উল্টে শেষকৃত্যের কথা মনে করিয়ে দিলো গ্রীষ্ম
তারপর খরচটা নিজের পকেট থেকেই দিয়েছিলাম
দ্বিতীয় দৃশ্য দেখে বদলে গেলো যে বিকেলটা
সে ও সাইনবোর্ড নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে
কখনো উঁকি দেয় জীবন সংক্রান্ত মামলায়
কি শান্ত অথচ বাতাসের মতো বিষাদ তার চোখে!

(64)

জবা রায় ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় জন্ম ও বেড়ে উঠা এ তরুন কবি।
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে চারুকলা বিভাগের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী হিসেবে অধ্যয়নরত।