উর্ণাজাল-মোহাম্মদ জসিম তার কবিতায় শব্দের পেছনে যে নির্মিতি সেখানে বসে থাকেন,যতক্ষণ অন্তর্গত অন্তর্জাল ছিঁড়ে বেড়িয়ে আসা শিল্পিক নির্মাণ যথাযথ প্রকাশ না হয়। আমরা তার কবিতায় সেই আবহ বারবার টপর পাই।
নারী : গারো সমাজ - বাঙালির পাশাপাশি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র নানা নৃ- তাত্বিক জাতিসত্বার বৈচিত্রে রঙিন বাংলাদেশ, গারো তার অন্যতম। ড. মেজবাহ উদ্দিন তুহিন তার লেখায় গারো সমাজে নারীর অবস্থান তুলে ধরেছেন নানা আঙ্গিকে।
বাংলা সাহিত্যে কবিদের উপাধি ধারন- মজিদ মাহমুদ তার প্রবন্ধে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর,করমচাঁদ গান্ধী,কাজী নজরুল ইসলাম থেকে শুরু করে আল মাহমুদ,সৈয়দ শামসুল হক,নূরুল হুদা থেকে মজিদ মাহমুদ পর্যন্ত টেনে এনেছেন। কিভাবে একেকজন স্ব স্ব উপাধি ধারন করে কিংবদন্তি হয়েছেন।
বৃক্ষ ও কবিতার কথা- মজিদ মাহমুদ এই প্রবন্ধে বলেছেন মাতৃগর্ভে বসবাস করে যেমন মায়ের রূপ-দর্শন অসম্ভব তেমনি পৃথিবী তথা বিশ্বব্রহ্মান্ডের স্তন্যে লালিত মানুষ শত সহস্র বছরের চেষ্টায় কবিতায়ও দর্শন অসম্ভব।
ব্যক্তি নিরপেক্ষ হওয়া কি জরুরী - তৌহিদ শাকিল এর একটি নন-ফিকশন রচনা। উক্ত ফিকশনে ব্যক্তির নিরপেক্ষতা নিয়ে তার বিশ্লেষণ নতুন দ্বার উন্মোচন করে। যা পাঠককে নতুন নতুন বিষয়ের সাথে পরিচয় করিয়ে দিবে।
মানবের পদচিহ্ন -গৌতম কৈরী তার কবিতায় ক্রমাগত যে নির্মিতির দিকে যাচ্ছে তার প্রমাণ কবিতায় সুস্পষ্ট। কবিতা পাঠে আমরা তার অনুচ্চারিত শব্দমালা দেখতে পাই,যা গৌতম পদচিহ্ন হিসেবে বাংলা কবিতায় রেখে যেতে চায়।
ক্ষুধার্ত লাটিম - আদিত্য আনাম, কবিতায় বাহন হয়ে বাংলায় চষে বেড়াচ্ছেন। তার কবিতায় বাংলার সেই সব বিপ্লবীদের কণ্ঠস্বরও মাঝে মাঝে টের পাওয়া যায়। কবিতা খুব সহজেই নিজের অজান্তে সহজাত হয়ে উঠে।
শোন হাওয়া, তোমাকে ভাবছে বাগান - শুভ্র সরকার তার নাতিদীর্ঘ কবিতায় তার যাপনের চারপাশের প্রকৃতিকে যেভাবে দেখেন ঠিক সে রূপটিকেই কাব্যে তুলে ধরেছেন সুনিপুন দক্ষতায়। আমরা তার কবিতা পাঠে চোখ বুজলেই দেখতে পাই গ্রামীন দৃশ্যাবলী, ধান ক্ষেত, আশপাশ।
সাঁওতাল সমাজ ও সংস্কৃতি - ড. মেজবাহ উদ্দিন তুহিন - মুখমন্ডল গোলাকার, মোটা ঠোট, চ্যাপ্টা নাক, ফ্যাকাসে বর্ণ, কোঁকড়ানো চুল, মোটা পায়ের গোড়ালি, শক্ত চামড়া ও মাঝারি উচ্চতার জন্মগত শারীরিক গঠন নিয়ে বেড়ে ওঠেছে ওরা। এসব সাতন্ত্র বৈশিষ্ট্যের কারণেই অন্যদের কাছ থেকে তাদের আলাদা করা যায়। ওরা সাঁওতাল নৃ- গোষ্ঠী।