Home Tag "কিংবদন্তি"

৫০শব্দের নির্বাচিত ১০টি অনুগল্প

৫০শব্দের নির্বাচিত ১০টি অনুগল্প- রাজু রোজারিও বাংলা সাহিত্যে পরিক্ষন একটি গল্পের ধারা নিজেকে প্রমান করবার পথে আছেন

বিস্ময়ের অপমৃত্যু

বিস্ময়ের অপমৃত্যু- ওয়াদুদ আকন্দ তার গল্পের যে ভাষা, ভঙ্গি এবং চরিত্রের নাটকীয়তা উপস্থাপন করেছেন। সেখানেই গল্পের এবং গল্পকারের অপার বিষ্ময় প্রকাশিত। ওয়াদুদ আকন্দ বিষ্ময়ের অপমৃত্যু গল্পে যে ইঙ্গিত প্রদর্শন করেছেন সেটা বাংলা গল্পে একটি আপেক্ষিক বিষয়।

তোমার হস্তরেখা আমাকে জ্যোতিষী বানায়

তোমার হস্তরেখা আমাকে জ্যাোতিষী বানায়-রিগ্যান এসকান্দার এর কবিতায় যে প্রগতিশীলতা, মানবিকতা ও মনস্তত্ত্ব দেখা যায়।সেটাই আমাদের কাঙ্ক্ষিত কাব্য।সেখানেই রিগ্যান সফল।

আমাদের মেজ ভাই

আমাদের মেজ ভাই-অংশুমান কর তার এই নাতিদীর্ঘ এলেজি রচনায় যে মুনশিয়ানা দেখিয়েছেন, সেটা আমাদের বাংলা কবিতায় দৃষ্টান্ত স্থাপনকারী একটি কবিতা।এ কবিতায় কবি আপন সহোদর মৃত্যু কে কত অবলিলায় গ্রহণ করেছেন, কবি টের পাননি। কিন্তু কবিতা নির্মিতিতে কিংবদন্তি হয়ে উঠেছে আমাদের মেজ ভাই।

মৃতরা পাহাড় হয়ে যায়

মৃতরা পাহাড় হয়ে যায়- জাহিদ জগৎ তার কবিতায় যে নির্মাণ দেখিয়েছেন,সেটা চেতনাকে জাগ্রত করে তুলে।তাই তার কবিতা পাঠে পাঠক নতুন এক বাংলা কবিতার নির্মিতির পথ ধরে হাঁটতে পারবে।

জীবন পারাপার

জীবন পারাপার- ফেরদৌস তাজ তার কবিতায় ভবঘুরে জীবনের যে সরূপ উদঘাটন করেছেন যেখানে আমরা প্রতিটি ধাপে ধাপে সেই পঙ্কিল পথের রূপ দেখতে পাই। এখানে এ তরুণ কবি সফলতার সাথে কবিতায় সেই রূপ কল্প চিত্রায়ন করেছেন।

উর্ণাজাল

উর্ণাজাল-মোহাম্মদ জসিম তার কবিতায় শব্দের পেছনে যে নির্মিতি সেখানে বসে থাকেন,যতক্ষণ অন্তর্গত অন্তর্জাল ছিঁড়ে বেড়িয়ে আসা শিল্পিক নির্মাণ যথাযথ প্রকাশ না হয়। আমরা তার কবিতায় সেই আবহ বারবার টপর পাই।

রঙমশালের স্রোত

রঙমশালের স্রোত- পার্থ মল্লিক কবিতায় তার যাপিত জীবনের প্রতিচ্ছবি তুলে এনেছে। কোথাও তার হাসি কে বৃষ্টিতে ভিজিয়ে এনে মেঘের আদরে গান শুনিয়েছেন আবার কোথাও রঙ অন্ধ কোন অজানা রোগে ভুলে গেছেন।

দাঁড়ানোর সীমানা

দাঁড়ানোর সীমানা - শিমুল মাহমুদের ভাত খাওয়ার শব্দ পান্ডুলিপির নির্বাচিত কবিতা। কবিতায় কবি মানুষের ভেতরের মানুষকে আবিষ্কার করবার চেষ্টা করেছেন। যেখানে মানুষের সমতাহীন সমাজ ব্যবস্থার প্রতিচিত্র নির্মান করেছে তার প্রতিটি কবিতায়।

নন্দনদৃশ্য

নন্দনদৃশ্য - মোস্তফা হামেদী তার কবিতায় প্রয়োজনীয় শব্দের গাঁথুনিতে ক্রমান্বয়ে লিখে চলেছেন এমন - অন্তঃসারশূন্য এই এঁদো জলসায়, একটা ভেঁপু বাজে প্রাণ মন্দিরার সুরে।